বর্তমানে ভারতবর্ষের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মধ্যে আনন্দের জোয়ার দেখা যাচ্ছে। গতকাল ২৫ জুলাই ২০২৬ তারিখে ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন এবং তিনি যুবসমাজের কল্যাণ ও উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কামনা করেন। বিগত কয়েক দিনের ঘটনাক্রম তাঁকে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে বাধ্য করায়। ফলে তিনি তার পদত্যাগপত্র ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে পাঠিয়ে দেন। ২০২৬ - এর NEET পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ায় CJP (Cocroch Janata Party)- এর নেতৃত্বে দিল্লির যন্তর মন্তরে ছাত্র আন্দোলন শুরু হয়। ধীরে ধীরে এই আন্দোলন বৃহৎ আকার ধারণ করে। দিল্লি তথা দেশের বিভিন্ন রাজ্যে এই আন্দোলন দেখা দেয় এবং তাদের দাবিতে ওই পরীক্ষা বাতিল ঘোষণা করা হয়। আবার নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হয়। কিন্তু তার সত্বেও তাদের আন্দোলন বন্ধ হয়নি, তাদের পরবর্তী দাবি শিক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতার জন্য শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ চায়। ফলে দীর্ঘ আন্দোলনের পরে ২৫ জুলাই ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান পদত্যাগ করেন।
বর্তমানে ভারতের নতুন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী কে?
ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা দেওয়ার কিছুক্ষণ পরেই ২৫ জুলাই ২০২৬ শনিবার নতুন শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশী। তিনি তাঁর অন্যান্য দায়িত্বের সঙ্গে সঙ্গে ভারতের শিক্ষা মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করবেন।
প্রহ্লাদ যোশী
প্রহ্লাদ যোশী হলেন একজন রাজনীতিবিদ যিনি বর্তমান ভারতের একটি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি ভারতবর্ষের খাদ্য দপ্তরের, উপভোক্তা বিষয়ক এবং নতুন ও নবায়নযোগ্য শক্তি মন্ত্রকের দায়িত্ব পালন করে থাকেন। এবার থেকে তিনি ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থারও দায়িত্ব পালন করবেন।
জন্ম: তিনি কর্নাটকের বিজয়পুরা জেলাতে ১৯৬২ সালের ২৭ নভেম্বর জন্মগ্রহণ করেন।
শিক্ষাজীবন: তার শিক্ষাজীবন খুব সাধারণভাবে কেটেছে। তিনি হুবলিতে স্কুলজীবন শেষ করেন এবং কে. এস. আর্টস কলেজ থেকে ব্যাচেলর অব আর্টস (বিএ) ডিগ্রি অর্জন করেন।
তাঁর পূর্ববর্তী দায়িত্ব: তিনি ২০০৪ সালে টানা ধারওয়াড় লোকসভা কেন্দ্রের প্রতিনিধিত্ব করেন। এরপর ২০১৯ সাল থেকে কয়লা, খনি ও সংসদীয় বিষয়ক মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও প্রহ্লাদ যোশীর আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব রয়েছে। তিনি খাদ্য ও পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন এবং নতুন ও নবায়নযোগ্য শক্তি মন্ত্রকের, ভোক্তা বিষয়ক দায়িত্বে রয়েছেন। এরপর ২০২৬ সালে ২৫ জুলাই ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর বর্তমান শিক্ষামন্ত্রীর দায়িত্ব তাকে দেওয়া হয়।
